যে দিবসগুলো উদ্যাপন বা পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস এবং ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।
বিভিন্ন সময়ে এই দিবসগুলো জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল তৎকালীন সরকার। এর মধ্যে ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ’ হিসেবে ঘোষণা এবং দিবসটি উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত হয় ২০২০ সালে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন বা পালন–সংক্রান্ত পরিপত্রের ক শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তভুক্ত করে তখন প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এই ভাষণকে ২০১৭ সালে ইউনেসকো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় এসে তা বাতিল করেছিল। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে দিবসটি আবার পালনের সিদ্ধান্ত হয়। বাকি ছয়টি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।

No comments:
Post a Comment